১৪০০ বছর আগে রাসূল (সা)-এর বর্ণিত প্রতিটি ভবিষ্যতবাণী সত্য হচ্ছে। অবশ্যই তার প্রতিটি কথা সত্য। সংশয়বাদীদের নিকট এই ভবিষ্যতবাণী গুলো ওপেন চ্যালেঞ্জ করছে। কি করে একজন মানুষ এত বছর পূর্বে, আজকের সমাজের হুবহু বর্ণনা দিতে পারলেন?- এটাই প্রমাণ তিনি ছিলেন আল্লাহর প্রেরিত সত্য নবী। তিনি বলে গেছেন, সন্তানরা উগ্র হয়ে যাবে, স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির আবিস্কার হবে। তিনি বলেছেন, “অচিরেই আকাশ থেকে অনিষ্টকর বস্তু বর্ষিত হবে, এমনকি তা জনশূন্য সুদূর মরু প্রান্তরেও পৌঁছবে” আজ রেডিও, ডিস টিভি মরুভূমি ও সাগরের মাঝে পৌঁছে গেছে। তিনি বলেছেন, চাপাবাজি করে মানুষ টাকা আয় করবে, সমাজের নিকৃষ্ট ব্যক্তিরা বাজার দখল করবে, সমকামিতা ও লেসবিয়ানিজম বিস্তার করবে, নারীদের চরিত্রকে ধ্বংস করার জন্য বিভিন্ন মুভমেন্ট হবে, নতুন নতুন বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবন হবে, এমনকি তিনি বলেছেন মিউজিকাল ইন্সট্রুমেন্ট মানুষের মাথায় থাকবে- অর্থাৎ বর্তমান হ্যাডফোন, জারজ শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে- আমেরিকায় মোট জন্মাহারের শতকরা ৫০ ভাগ হল জারজ শিশু, লাঠি ও জুতার ফিতা মানুষের সাথে কথা বলবে, মালিকের অবর্তমানে বাসায় কি কি হয়েছে তা বর্ণনা করবে- এখানে সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়েব ক্যাম, বিভিন্ন গেজেট ও স্মার্ট ফোন এর ইঙ্গিত করা হচ্ছে, মানুষ কাপড় পরেও নগ্ন মনে হবে, মায়ের অবাধ্য হয়ে স্ত্রীর আনুগত্য করবে, প্রকাশ্যে যৌনাচার হবে ইত্যাদি সব কিছু ১৪শ বছর পূর্বে কি করে তিনি বলে গেছেন? অবশ্যই তিনি আল্লাহর রাসূল। তার প্রতিটি বাণী সত্য- আজ আমরা নিজ চোখে এর প্রমাণ দেখছি। এগুলো হল আল্লাহর নিদর্শন, তিনি চান বান্দারা তাওবা করে ফিরে আসুক। আলামত জানার পরেও কি আমরা ঈমানহারা বা দুর্বল ঈমান রেখে এবং বদআমল করেই যাব? এই আলামত আমাদের ঘুম ভাঙানোর জন্য যথেষ্ট নয়? আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন, ফিতনাকে ফিতনা হিসেবে চিহ্নিত করতে পেরে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

    Audiobook
    Full Link
    Short Link (Twitter)